;

ফেনী

ফনী নদীতে বেষ্টিত চারিধার,পূর্বে মহাগিরি পার নাই তার

ফেনীর ইতিহাস

ফেনী নদীর নাম অনুসারে এ অঞ্চলের নাম রাখা হয়েছে ফেনী।মধ্যযুগে কবি ও সাহিত্যিকদের কবিতা ও সাহিত্যে একটা বিশেষ নদীর স্রোতধা ও ফেরী পারা পারের ঘাট হিসেবে আমরা ফনী শব্দ পাই। ষোড়শ শতাব্দীতে কবি কবীন্দ্র পরমেশ্বর পরাগলপুরের বর্ণনায় লিখছেনঃ “ফনী নদীতে বেষ্টিত চারিধার,পূর্বে মহাগিরি পার নাই তার।” সতের শতকে মির্জা নাথানের ফার্সী ভাষায় রচিত “বাহরিস্তান-ই-গায়েবীতে” ফনী শব্দ ফেনীতে পরিণত হয়। আঠার…

বিস্তারিত

শিলুয়ার শিল পাথর : ফেনীর প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন

শিলুয়ার শিল পাথর : ফেনীর প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন

আমাদের দেশের প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানগুলো আমাদের অতীত ইতিহাস ও জাতিগত সত্তাকে তুলে ধরে। আর এসকল প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানগুলো পর্যটকদের জন্যও আকর্ষণীয় দর্শনীয় স্থান। নানান জেলার নানান প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলো তাই পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় ভ্রমণ গন্তব্য। একেক জেলার একেক ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো বিভিন্ন ইতিহাসকে ধারণ

রাজাঝির দিঘী, ফেনী

রাজাঝির দিঘী, ফেনী

আমাদের দেশের অনাবিল গ্রাম-বাংলার সৌন্দর্যে দিগন্ত জোড়া দিঘি এক অন্যতম অনুষঙ্গ। চিরায়ত বাংলার রূপে সৌন্দর্যের ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে সুবিশাল দিঘিগুলো। এই বাংলায় যেমন রয়েছে অনবদ্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ভাণ্ডার আর প্রাচীন স্থাপনা তেমনি সেগুলোকে ঘিরে রয়েছে অসংখ্য উপকথা, লোককথা ও

চাঁদ গাজী ভূঁইয়া মসজিদ, ফেনী

চাঁদ গাজী ভূঁইয়া মসজিদ, ফেনী

আমাদের দেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনা আমাদের অতীত ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে ধারণ করে এখনো স্ব-মহিমায় নিজের অস্তিত্ব জানান দেয়। প্রতিটি জেলার এসব ঐতিহাসিক স্থাপনা যেমন আমাদের দেশের সৌন্দর্যের অন্যতম অনুষঙ্গ তেমনি পর্যটকদেরও আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। আর এই সকল স্থাপনার মধ্যে একটা বড়

মদন গোপালের মিষ্টি, ফেনী

মদন গোপালের মিষ্টি, ফেনী

চুলা থেকে মাত্রই নামানো হয়েছে উত্তপ্ত কড়াই। কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হয়ে গেলো বিকিকিনি। সবারই চাহিদা ধোঁয়া ওঠা গরম মিষ্টির। এ চিত্র ফেনীর পরশুরাম উপজেলার বক্সমাহমুদ ইউনিয়নের খন্ডলহাই বাজারের এক মিষ্টির দোকনের। সাধারণত সারাদেশে ঠান্ডা মিষ্টি খাওয়ার চল থাকলেও ওই বাজারের

সোনাগাজী মুহুরী সেচ প্রকল্প, ফেনী

সোনাগাজী মুহুরী সেচ প্রকল্প, ফেনী

১৯৭৭-৭৮ অর্থ বছরে শুরু হয়ে ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলায় ১৯৮৫-৮৬ অর্থ বছরে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই সেচ প্রকল্পের নির্মাণ কাজ শেষ হয়। ফেনী নদী, মুহুরী নদী এবংকালিদাস পাহালিয়া নদীর সম্মিলিত প্রবাহকে আড়ি বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে 40 ফোক্ট বিশিষ্ট একটি বৃহদাকার

বিজয় সিংহ দিঘী, ফেনী

বিজয় সিংহ দিঘী, ফেনী

বাংলার বিখ্যাত সেন বংশের প্রতিষ্ঠাতা বিজয় সেনের অমর কীর্তি এ বিজয় সিংহ দীঘি । এ দীঘি ফেনী শহরের প্রায় ৩ কিঃমিঃ পশ্চিমে বিজয় সিংহ গ্রামে ফেনী সার্কিট হাউজের সামনে অবস্থিত। দৃষ্টিনন্দন সৌন্দর্যের আধার এ দীঘিটির আয়তন প্রায় ৩৭.৫৭ একর। অত্যন্ত

শমসের গাজীর দীঘি, ফেনী

শমসের গাজীর দীঘি, ফেনী

বঙ্গবীর শমসের গাজী, সমশের গাজী ছিলেন একজন ব্রিটিশ বিরোধী বিপ্লবী এবং ত্রিপুরার রোশনাবাদ পরগনার কৃষক বিদ্রোহের নায়ক।১৭৫৭ সালে ব্রিটিশ ঐপনিবেশিক শক্তির আগ্রাসন প্রতিহত করতে গিয়ে মৃত্যু বরণ করেন তিনি ভাটির বাঘ বলে পরিচিত। শমসের গাজী নবাব সিরাজুদ্দৌলার পর তিনিই ঔপনিবেশিক

প্রতাপপুর জমিদার বাড়ি, ফেনী

প্রতাপপুর জমিদার বাড়ি, ফেনী

ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার পূর্বচন্দ্রপুর ইউনিয়নের প্রতাপপুর গ্রামে প্রতাপপুর জমিদার বাড়ি এর  অবস্থান। দাগনভূঞায় কয়েকটি চৌধুরী, ভূঞা এবং জমিদার বংশের মধ্যে প্রতাপপুর জমিদারদের অবস্থান ছিল শীর্ষে। তারা ছিল আশপাশের এলাকার জন্য প্রভাবশালী। ব্রিটিশ আমলে বাড়ির জমিদার রাজকৃঞ্চ সাহা এ বাড়িতে বসেই

শমসের গাজীর বাঁশের কেল্লা রিসোর্ট, ফেনী

শমসের গাজীর বাঁশের কেল্লা রিসোর্ট, ফেনী

গ্রাম বাংলার লোকজ শিল্প আর কৃষ্টি কালচারে বাঁশ একটা উল্লেখযোগ্য মাধ্যম।  যদিও এইসব সৃষ্টি আর শিল্প সম্ভার এখন প্রায় বিলুপ্তির পথে। এখন আর বাঁশের তৈরি তৈজসপত্র কিংবা এর শৈল্পিক ব্যবহার চোখে পড়ে না। কিন্তু ভেবে দেখেন যদি এমন একটি জায়গায়