;

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ঈসা খাঁর প্রথম ও অস্থায়ী রাজধানী

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ইতিহাস

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর পূর্বে এই জেলা কুমিল্লা (পুরাতন নাম টিপরা) জেলার অন্তর্ভূক্ত ছিল। উল্লেখ্য ১৮৩০ সালের পূর্বে সরাইল পরগণা ময়মনসিংহ জেলার অন্তর্ভূক্ত ছিল। এ অঞ্চল প্রাচীন বাংলার সমতট নামক জনপদের অংশ ছিল।মধ্যযুগে আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ছিল সরাইল পরগনার অন্তর্গত। ঐতিহাসিক তথ্য উপাত্তে জানা যায় পাঠান সুলতান শেরশাহ রাজস্ব আদায় ও শাসন কার্য পরিচালনার সুবিধার্থে প্রথম পরগনার সৃষ্টি…

বিস্তারিত

গঙ্গাসাগর দীঘি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

গঙ্গাসাগর দীঘি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

আমাদের দেশের অনাবিল গ্রাম-বাংলার সৌন্দর্যে দিগন্তজোড়া দিঘি এক অন্যতম অনুষঙ্গ। চিরায়ত বাংলার রূপে সৌন্দর্যের ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে সুবিশাল দিঘিগুলো। এই বাংলায় যেমন রয়েছে অনবদ্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ভাণ্ডার আর প্রাচীন স্থাপনা তেমনি সেগুলোকে ঘিরে রয়েছে অসংখ্য উপকথা, লোককথা ও কল্পকাহিনী।

ব্রাক্ষণবাড়িয়ার ঘাগুটিয়ার পদ্মবিলে গোলাপি পদ্মের মেলা

ব্রাক্ষণবাড়িয়ার ঘাগুটিয়ার পদ্মবিলে গোলাপি পদ্মের মেলা

এক গুচ্ছ পদ্মফুল হাতে এনে দিলে কার না মন প্রফুল্ল হয়ে উঠবে! বিলে ফুটে থাকা অজস্র পদ্মের সৌন্দর্য আসলেই অপার্থিব। আমাদের চিরায়ত গ্রাম বাংলার অন্যতম মনভোলানো দৃশ্য এটি । গানে, কবিতায় অসংখ্য বার নীলপদ্মের কথা বলেছেন কবিরা। নীলপদ্ম হয়ত চাইলেই

আরিফাইল মসজিদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

আরিফাইল মসজিদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে পরিচিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া। ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির উজ্জ্বল এক পটভূমি চট্টগ্রাম বিভাগের এই জেলাটি। এখানকার পুরাকীর্তি স্থাপনা গুলোর একটি আরিফাইল মসজিদ। বাংলাদেশের ঐতিহাসিক এই স্থাপত্য নিদর্শনটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার আরিফাইল গ্রামে অবস্থিত। স্থানীয়ভাবে এটি ‘আইড়ল মসজিদ’

ধরন্তি হাওর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ধরন্তি হাওর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

হাওর ও বিলে ভ্রমণ করতে যারা বেশি পছন্দ করেন তাদের জন্য অন্যতম একটি হাওর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ধরন্তি হাওর। এর পশ্চিমে মেঘনা আর পূর্বে তিতাস। মধ্যখানে বিশাল জলাভূমি নিয়ে অবস্থিত ধরন্তি। বর্ষা বাংলার প্রকৃতি সাজে অপরূপ সাজে। তার রূপের আলোকছটা পড়ে ধরন্তির

ব্রাক্ষণবাড়িয়ার ছানামুখী মিষ্টি

ব্রাক্ষণবাড়িয়ার ছানামুখী মিষ্টি

ভোজনরসিক মানুষ, বিশেষ করে মিষ্টিপ্রিয় বাঙালিদের পছন্দের তালিকার প্রথম সারিতেই যে মিষ্টিগুলোর নাম রয়েছে তার মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ‘ছানামুখী মিষ্টি’ অন্যতম। প্রায় ১০০ বছর পূর্বের এই প্রসিদ্ধ মিষ্টির স্বাদের কথা আজও সকলের মুখে মুখে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এই বিখ্যাত ছানামুখী মিষ্টির বাজারদর বর্তমানে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার পর্যটন অঞ্চল

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার পর্যটন অঞ্চল

তিতাস নদীর শান্ত প্রকৃতি দেখার মত একটি স্থান। এছাড়া তিতাস গ্যাস ফিল্ড পরিদর্শন করার মত একটি স্থান। আশুগঞ্জ ও ভৈরব বাজারের মধ্যবর্তী মেঘনা নদীর উপর ভৈরব রেলওয়ে সেতু তৈরি হয়েছে তা যে কারও মনে দোলা দেবে। এর পাশ ঘেষেই বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য

কেল্লা শহীদ মাজার, ব্রাক্ষণবাড়িয়া

কেল্লা শহীদ মাজার, ব্রাক্ষণবাড়িয়া

আখাউড়ার খড়মপুরেঅবস্থিত হজরত সৈয়দ আহম্মদ (রঃ) এর দরগাহ যা কেল্লা শহীদের দরগাহ নামে সমগ্র দেশে পরিচিত।কেল্লাশহীদের দরগাহ সর্ম্পকে যে কাহিনী প্রচলিত আছে তা হচ্ছে এই যে, সে সময় খড়ম পুরের জেলেরা তিতাস নদীতে মাছ ধরত। একদিন চৈতন দাস ও তার

হাতিরপুল ব্রীজ, ব্রাক্ষণবাড়িয়া

হাতিরপুল ব্রীজ, ব্রাক্ষণবাড়িয়া

ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক সংলগ্ন সরাইল উপজেলার বারিউড়া বাস স্ট্যান্ড থেকে প্রায় ১০০গজ পূর্বদিকে রাস্তার বামপাশে হাতিরপুলটি অবস্থিত। বর্তমানে বাংলাদেশ প্রত্নতত্ব অধিদপ্তর থেকে পুলটিকে সংস্খার ও সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। দেওয়ান শাহবাজ আলী সরাইলের দেওয়ানী লাভের পর বর্তমান শাহবাজপুরে তার কাঁচারী নির্মাণ

আরিফাইল মসজিদ, ব্রাক্ষণবাড়িয়া

আরিফাইল মসজিদ, ব্রাক্ষণবাড়িয়া

১৬৬২ খ্রি. নির্মিত মোঘল আমলের ঐতিহাসিক নির্দশন এই সুরম্য মসজিদটি সরাইল উপজেলার সদর ইউনিয়নের আরিফাইল গ্রামে অবস্থিত। সরাইল উপজেলা চত্ত্বর থেকে প্রায় ১ কি.মি. পশ্চিমে মসজিদটির অবস্থান। এই মসজিদটি ৭০ফুটx২০ফুট আয়তনের। দেয়ালের পুরুত্ব ৫ফুট ৬ ইঞ্চি। স্থাপত্য কলা কৌশল ও