;

পটুয়াখালী

দেশের সূর্যদয় ও সূর্যাস্ত দেখার একটি মাত্র জায়গা- কুয়াকাটা

পটুয়াখালীর ইতিহাস

পটুয়াখালী জেলায় গঠনকারী এলাকা প্রাচীন রাজত্ব চন্দ্রদীপ এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিল. বাউফল উপজেলার কচুয়া এই রাজত্বের রাজধানী ছিল. উপকূলবর্তী অঞ্চল এবং ঘন ঘন পত্বুগীজ এবং মগদের আক্রমনে ও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে রাজধানী বরিশালে মাধবপাশায় স্থানান্তর করা হয়. রাজা টোডারমল, সম্রাট আকবরের মন্ত্রী, ১৫৯৯ সালে কানুনগো জিম্মক খানকে এলাকা জরিপ করতে পাঠান । চন্দ্রদীপ এর বন এলাকা চন্দ্রদীপ থেকে পৃথক হয়ে…

বিস্তারিত

শতবর্ষী কানাই বালাই দিঘী, পটুয়াখালী

শতবর্ষী কানাই বালাই দিঘী, পটুয়াখালী

শতবর্ষী কানাই বালাই দিঘী পটুয়াখালী জেলার বাউফলে অবস্থিত। নানা ইতিহাস আর ঐতিহ্যের সাক্ষী ধারণ করে পুকুরটি আজও টিকে আছে। প্রায় ৩০০ বছর আগে দিঘীটি খনন করা হয়। স্থানীয় বিশুদ্ধ পানির অভাব পূরণে এই  দিঘীটি খনন করা হয়। দিঘীটির সাথে জড়িত

দেশের দক্ষিণাঞ্চলের লঞ্চ ভ্রমণের বিস্তারিত

দেশের দক্ষিণাঞ্চলের লঞ্চ ভ্রমণের বিস্তারিত

বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। দেশের প্রায় প্রতিটি প্রান্ত ভ্রমণের জন্যই রয়েছে ছোট বড় নৌ পথ। তবে বিশেষ ভাবে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে যাতায়াতের জন্য সহজ ও আরামদায়ক উপায় হচ্ছে নৌপথ। আর এই নৌপথের প্রধান বাহন লঞ্চ। ঢাকা থেকে নোয়াখালী, বরিশাল, মাদারীপুর, ভোলা, পটুয়াখালী,

দেশের বিভিন্ন রুটে লঞ্চের ভাড়া, সময়সূচী ও জরুরি তথ্য

দেশের বিভিন্ন রুটে লঞ্চের ভাড়া, সময়সূচী ও জরুরি তথ্য

বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। নদীপথে যাতায়াতের অন্যতম প্রধান বাহন লঞ্চ। দেশের দক্ষিণাঞ্চলের সাথে যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম লঞ্চ সার্ভিস। ঢাকার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে সাধারণত সকাল ৬টা থেকে শুরু করে রাত ১২টা পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন এলাকার উদ্দেশ্যে লঞ্চগুলো ছেড়ে যায়। সরকারি ও

বরিশাল, পটুয়াখালী বা দক্ষিণাঞ্চলের লঞ্চের সুযোগ-সুবিধা, ভাড়া, সময়সূচী

বরিশাল, পটুয়াখালী বা দক্ষিণাঞ্চলের লঞ্চের সুযোগ-সুবিধা, ভাড়া, সময়সূচী

বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে যাবার জন্য সবার কাছেই অত্যন্ত সহজ ও আরামদায়ক একটি উপায় হল জলপথে যাওয়া। ঢাকা থেকে বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী কিংবা আশে পাশের অন্যান্য এলাকাগুলোতে যাবার জন্য লঞ্চ হতে পারে অত্যন্ত চমৎকার একটি উপায়। স্থলপথের তুলনায় সস্তা ও আর একটু

মজিদবাড়িয়া শাহী মসজিদ, পটুয়াখালী

মজিদবাড়িয়া শাহী মসজিদ, পটুয়াখালী

উপমহাদেশের ইসলাম প্রচারের সময় থেকেই এখানে নানা মুসলিম স্থাপত্য গড়ে ওঠে। নির্মাণ শৈলী থেকে অতীত ইতিহাস ঐতিহ্যের ধারণে এইসব মসজিদ গুরুত্বপূর্ণ পুরাকীর্তির মর্যাদা লাভ করে। যদিও সঠিক রক্ষণা বেক্ষণের অভাবে এইসব স্থাপনার অস্তিত্ব আজ হুমকির মুখে। শত শত বছরের সময়কালের

অপরুপ চর বিজয়, পটুয়াখালী

অপরুপ চর বিজয়, পটুয়াখালী

দৃষ্টিসীমানায় দিগন্ত ছোঁয়া অথৈ জলরাশি। তার বুকে ভেলার মত ভাসছে এক টুকরা ভূমি। বালিয়াড়িতে ঝরা হিজল ফুলের চাদরের মতো বিছিয়ে আছে অসংখ্য লাল কাঁকড়া। সকাল থেকে সন্ধ্যা হরেক পাখির বিচরণে আর কলকাকলির পাহারায় থাকে পুরো বালুচর।। সূর্যের সোনালি আলো চিকচিক

গঙ্গামতির চর, পটুয়াখালী

গঙ্গামতির চর, পটুয়াখালী

সুনীল সাগর, বন আর ধূ-ধূ বালুচরের অপূর্ব মেলবন্ধনে গড়া সাগরের বুকে জেগে উঠা চর। চরাঞ্চলের সৌন্দর্য সুধা অপার আকর্ষণে টানে প্রকৃতি প্রেমী ও ভ্রমণ পিপাসুদের। নির্জনতার স্বাদ আর প্রকৃতির সান্নিধ্যে নিজেকে বিলীন করে দিতে চাইলে চলে যেতে পারেন চর এলাকায়

কুয়াকাটার বিখ্যাত লেবুর চর, পটুয়াখালী

কুয়াকাটার বিখ্যাত লেবুর চর, পটুয়াখালী

সূর্যাস্ত এবং সূর্যোদয়ের জন্য বিখ্যাত কুয়াকাটা। ভোরের ঊষা এবং অপরাহ্ণের লগ্নের সবচেয়ে মনোহরিনি দৃশ্যটি দেখতে যেতে হবে কুয়াকাটা। কুয়াকাটার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বিস্তর এক আঁধার। সমুদ্র সৈকত থেকে শুরু করে নির্জন চর, বিস্তৃত বন, নদী সব মিলিয়ে এখানকার পরিবেশ দারুণ। এখানকার

ফাতরার চর: সাগর কন্যা কুয়াকাটার আরেক সৌন্দর্য

ফাতরার চর: সাগর কন্যা কুয়াকাটার আরেক সৌন্দর্য

সাগর কন্যা কুয়াকাটার সৌন্দর্যে মুগ্ধ হননি এমন ভ্রমণ প্রেমী হয়ত খুঁজে পাওয়া যাবেনা। আর এই কুয়াকাটার এক অনবদ্য সৌন্দর্যের নাম ফাতরার চর। কোলাহল মুক্ত নির্জন এই চরটির অনাবিল রূপ চোখে লেগে থাকবে আপনার বহুকাল। কুয়াকাটা ভ্রমণে গেলে তাই এই চরে

সোনার চর, পটুয়াখালী

সোনার চর, পটুয়াখালী

নির্জন সমুদ্রতটে পা ভিজিয়ে অস্তাচলের সূর্যের রক্তিম আভায় নিজেকে হারাতে কার না ভালো লাগে। আমাদের দেশের সমুদ্র সৈকত বলতে আমরা কক্সবাজার কিংবা কুয়াকাটাকেই বুঝি। তবে আরেকটি নয়নাভিরাম সমুদ্র সৈকতের কথা আমরা অনেকেই জানিনা। নাম তার সোনার চর। সোনার চরে সোনা