;

হবিগঞ্জ

খোয়াই, করাঙ্গী সুতাং, বিজনা, রত্না প্রভৃতি নদী বিধৌত

হবিগঞ্জের ইতিহাস

সুফি সাধক হযরত শাহজালাল (রঃ) এর অনুসারী সৈয়দ নাছির উদ্দিন (রঃ) এর পূণ্যস্মৃতি বিজড়িত খোয়াই, করাঙ্গী সুতাং, বিজনা, রত্না প্রভৃতি নদী বিধৌত হবিগঞ্জ একটি ঐতিহাসিক জনপদের নাম । ঐতিহাসিক সুলতানসী হাবেলীর প্রতিষ্ঠাতা সৈয়দ সুলতানের অধঃস্তন পুরুষ সৈয়দ হেদায়েত উল্লাহর পুত্র সৈয়দ হবিব উল্লাহ খোয়াই নদীর তীরে একটি গঞ্জ বা বাজার প্রতিষ্ঠা করেন । তাঁর নামানুসারে হবিবগঞ্জ থেকে কালক্রমে তা হবিগঞ্জে…

বিস্তারিত

হবিগঞ্জের রেমা–কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য

হবিগঞ্জের রেমা–কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য

রেমা–কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, পূর্ব নাম তরপ পাহাড়। ১৯৮২ সালের দিকে এই বন রেমা কালেঙ্গা অভয়ারণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায়। যারা একান্তই পরিবেশের সন্নিকটে থাকতে চান, নিরিবিলি বনের মাঝে নানা প্রকার জীব জন্তুর মাঝে প্রকৃতির রস আস্বাদন করতে চান তাদের জন্য উপযুক্ত

শত বছরের বিথঙ্গল আখড়া, হবিগঞ্জ

শত বছরের বিথঙ্গল আখড়া, হবিগঞ্জ

বানিয়াচং নামটা অনেকেই শুনেছেন হয়তো। এটি হবিগঞ্জ জেলার একটি উপজেলা। বানিয়াচং উপজেলার একটি বহুল পরিচিত গ্রাম বানিয়াচং। ৪ টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত হয় এই বানিয়াচং গ্রাম, যা একে এশিয়ার বৃহত্তম গ্রাম হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে। আগ বাড়িয়ে কেউ কেউ আবার একে

দ্যা প্যালেস রিসোর্ট – সবুজের মাঝে আভিজাত্যের রাজ্য

দ্যা প্যালেস রিসোর্ট – সবুজের মাঝে আভিজাত্যের রাজ্য

ছুটির দিনগুলো আয়েস করে কাটাতে রিসোর্ট অনেকেরই প্রথম পছন্দ। দেশের ভিতরে বর্তমানে অসংখ্য রিসোর্ট গড়ে উঠেছে আপনার ছুটির দিনগুলোকে আরো আনন্দপূর্ণ করে তুলতে। অবকাশ যাপনে যারা বিলাসবহুল হোটেল বা রিসোর্ট প্রাধান্য দিয়ে থাকেন তাদের জন্য হবিগঞ্জে রয়েছে দ্যা প্যালেস লাক্সারি

রসগোল্লার নাম তালমন, হবিগঞ্জ

রসগোল্লার নাম তালমন, হবিগঞ্জ

রসগোল্লার নাম তালমন। আকারে ছোট। তবে রসে টসটসে। মুখে জল আনে। বিশেষত্ব হলো, এটি মৌসুমি মিষ্টান্ন। ভাদ্র-আশ্বিনে তৈরি করা হয়। সে সুবাদে শারদীয় খাবার মিষ্টি হিসেবেও এর পরিচিতি আছে। বিশ্বায়নের এই যুগেও গায়ে সেভাবে বাণিজ্যিক মোড়ক লাগেনি। তবে বগুড়ার দই,

হবিগঞ্জের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের এ টু জেড

হবিগঞ্জের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের এ টু জেড

সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান বাংলাদেশের একটি প্রাকৃতিক উদ্যান। ১৯৭৪ খ্রিস্টাব্দের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ/সংশোধন আইনের বলে ২৪৩ হেক্টর এলাকা নিয়ে ২০০৫ খ্রিস্টাব্দে “সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান” প্রতিষ্ঠা করা হয়। এই উদ্যানে সাতটি পাহাড়ি ছড়া আছে, সেই থেকে এর নামকরণ সাতছড়ি (অর্থ: সাতটি ছড়াবিশিষ্ট)। সাতছড়ির

বিথাঙ্গল বড় আখড়া, হবিগঞ্জ

বিথাঙ্গল বড় আখড়া, হবিগঞ্জ

বিথাঙ্গল বড় আখড়া বিতঙ্গল আখড়া নামেও পরিচিত। এটি বাংলাদেশ এর হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলাতে অবস্থিত। এটি বৈষ্ণব ধর্মালম্বীদের জন্য একটি অন্যতম তীর্থস্থান। এটি ষোড়শ শতাব্দীর দিকে নির্মিত একটি আখড়া। এটি নির্মাণ করেছেন রামকৃষ্ণ গোস্বামী।বর্তমানে এটি মধ্যযুগীয় স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত পর্যটকদের জন্য

হবিগঞ্জের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের সাতকাহন

হবিগঞ্জের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের সাতকাহন

সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান। রাজধানী থেকে প্রায় ১৩০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলায় অবস্থিত। এই উদ্যানের মাঝে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস। তাছারাও নানান জাতের পাখি আর বন্যপ্রাণীদের আশ্রয়স্থল এখানে। চারিদিক থেকে হালকা জঙ্গলের যেদিকে দু’চোখ যায় শুধু সবুজ আর সবুজ। সাতছড়ি’র

সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান ও ট্রি এক্টিভিটি, হবিগঞ্জ

সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান ও ট্রি এক্টিভিটি, হবিগঞ্জ

রাজধানী শহর ঢাকা থেকে ১৩০ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত প্রাকৃতিক উদ্যান সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান। হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার রঘুনন্দন পাহাড়ে অবস্থিত এই উদ্যান প্রায় ২৪৩ হেক্টর জমি নিয়ে বিস্তৃত। ৬২০৫ হেক্টর আয়তন বিশিষ্ট রঘুনন্দন পাহাড় সংরক্ষিত বনভূমির অভ্যন্তরে জাতীয় উদ্যানটি অবস্থিত।