;

ঠাকুরগাঁও

টাঙ্গন, শুক, কুলিক, পাথরাজ ও ঢেপা বিধৌত এই জনপদ

ঠাকুরগাঁও-য়ের ইতিহাস

১৮০০ সালে বৃটিশ শাসনামলে টাঙ্গন, শুক, কুলিক, পাথরাজ ও ঢেপা বিধৌত এই জনপদের একটি ঠাকুর পরিবারের উদ্যোগে বর্তমান পৌরসভা এলাকার কাছাকাছি কোনো একটি স্থানে থানা স্থাপিত হয়। তাদের নাম অনুসারে থানাটির নাম হয় ঠাকুরগাঁও থানা। মতামত্মরে ঠাকুর-অর্থাৎ ব্রাহ্মণদের সংখ্যাধিক্যের কারণে স্থানটির নাম ঠাকুরগাঁও হয়েছে। ১৮৬০ সালে এটি মহকুমা হিসেবে ঘোষিত হয়। এর অধীনে ছয়টি থানা ছিলো যথা-সদর, বালিয়াডাঙ্গী, পীরগঞ্জ, রাণীশংকৈল,…

বিস্তারিত

লোকায়ন জীবন বৈচিত্র্য জাদুঘর, ঠাকুরগাঁও

লোকায়ন জীবন বৈচিত্র্য জাদুঘর, ঠাকুরগাঁও

ভ্রমণ প্রেমী মাত্রই সুযোগ পেলে বেড়িয়ে পড়েন দূর থেকে আরো দূরে। দেশের আনাচে-কানাচের সৌন্দর্য খুঁজে বেড়ানোই ভ্রমণ প্রেমীদের নেশা। বাংলাদেশের প্রতিটি জেলার রয়েছে নিজস্ব সৌন্দর্য আর বৈচিত্র্যতা। দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের চমৎকার এক জেলা ঠাকুরগাঁও। ইতিহাস-ঐতিহ্যের এই জেলাটি হিমালয়ের কোল ঘেঁষে অবস্থিত।

বালিয়া মসজিদ, ঠাকুরগাঁও

বালিয়া মসজিদ, ঠাকুরগাঁও

সুপ্রাচীন কাল হতেই ঠাকুরগাঁও জেলা সভ্যতার নানা নিদর্শন বুকে ধারণ করে আছে। বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির ধারক ও বাহক এই জেলাটিতে রয়েছে নানা ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা। তেমনি একটি স্থান বালিয়া মসজিদ। এটি বালিয়া মসজিদ, ছোট বালিয়া মসজিদ কিংবা জ্বীনের মসজিদ নামেও

রাজা টংকনাথের রাজবাড়ি

রাজা টংকনাথের রাজবাড়ি

রাজশাসনের অতীত ইতিহাস ও ঐশ্বর্যের নিদর্শন হিসেবে দেশের নানা প্রান্তেই নির্জন পরিত্যক্ত রাজবাড়ি দেখা যায়। তেমনি একটি রাজা টংকনাথের রাজবাড়ি। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা হতে ৪০ কিলোমিটার দূরে রাণীশংকৈল উপজেলায় অবস্থিত রাজা টংকনাথের রাজবাড়িটি। রাজা টংকনাথের রাজবাড়িটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়

হারিয়ে যাচ্ছে ভাপা পিঠার উৎসব

হারিয়ে যাচ্ছে ভাপা পিঠার উৎসব

সব ধরনের পিঠার মধ্যে জনপ্রিয় আর ঐতিহ্যবাহী পিঠা হল ভাঁপা পিঠা। শুধু গ্রামেই নয়,শহরের এ পিঠার বেশ কদর। কিন্তু দিন দিন তা হারিয়ে যেতে বসেছে। খুব কম খরচে কম সময়ে এই পিঠাটি বানানো যেত বলে এই পিঠার কদর ছিল আহামরি।

গোরক্ষনাথ মন্দির, ঠাকুরগাঁও

গোরক্ষনাথ মন্দির, ঠাকুরগাঁও

গোরকই বা গোরকুই। ঠাকুরগাঁওয়ের নেকমরদ থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার পশ্চিমে একটি ইতিহাস সমৃদ্ধ স্থান । আর এখানেই রয়েছে বিখ্যাত গোরক্ষনাথ মন্দির ও নাথ আশ্রম। কোনো কোনো ঐতিহাসিক গোরক্ষনাথকে নাথ পন্থীদের ধর্মীয় নেতা মীননাথের শিষ্য বলে ধারণা করে থাকেন। গবেষকদের মতে,

হরিপুরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত রাজবাড়ি, ঠাকুরগাঁও

হরিপুরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত রাজবাড়ি, ঠাকুরগাঁও

হরিপুর উপজেলার কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত রাজবাড়িটি আজো কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। এই প্রাসাদোপম অট্টালিকাটি নির্মিত হয় ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দে। এটির নির্মাণ কাজ শুরু করেন ঘনশ্যাম কুন্ডুর বংশধর রাঘবেন্দ্র রায় চৌধুরী আর সম্পন্ন করেন তারই পুত্র জগেন্দ্র নারায়ণ রায় চৌধুরী। মুসলিম শাসন

রাজা টংক নাথের রাজবাড়ি, ঠাকুরগাঁও

রাজা টংক নাথের রাজবাড়ি, ঠাকুরগাঁও

রাণীশংকৈল উপজেলার বাচোর ইউনিয়নে কুলিক নদীর তীরে মালদুয়ার জমিদার রাজা টংক নাথের রাজবাড়ি যা ১৯১৫ খি:সালে প্রতিষ্ঠা করেন। টংকনাথের পিতার নাম বুদ্ধি নাথচৌধূরী।বুদ্ধিনাথ চৌধূরী ছিলেনমৈথিলিব্রাক্ষণ এবং কাভতিহারে ঘোষ বাগোয়ালা বংশীয় জমিদারের শ্যামরাই মন্দিরের সেবায়েত। নিঃসন্তান বৃদ্ধগোয়ালা জমিদার কাশিবাসে যাওয়ার সময়

ঠাকুরগাঁও জেলার দর্শনীয় স্থান সমূহ

ঠাকুরগাঁও জেলার দর্শনীয় স্থান সমূহ

গোরক্ষনথের রহস্যঘেরা কূপ:পানি যেখানে কখনোই কমেনা জেলার রানীশংকৈল উপজেলার দেড়’শ বছরের পুরাতন গোরক্ষনাথ মন্দির জেলার হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে এখনও আকর্ষনীয়। মন্দির এলাকায় অবস্থিত বৈচিত্রময় প্রস্তর নির্মিত আশ্চর্য কূপ ও তার পানি মহা পবিত্র জিনিস হিসাবে তাদের কাছে বিবেচিত হয়ে আসছে।