;

কুড়িগ্রাম

প্রাগৈতিহাসিক আদিম সভ্যতার লীলাভূমি

কুড়িগ্রামের ইতিহাস

উত্তর জনপদের একটি জেলা কুড়িগ্রাম। এ জনপদের ইতিহাস আছে, ঐতিহ্য আছে, আছে স্বকীয়তা, আছে বৈশিষ্ট্য। একদিনে এর ইতিহাস গড়ে ওঠেনি, একযুগে গড়ে ওঠেনি এর ঐতিহ্য। সুদীর্ঘ যুগের চড়াই উৎরাই, ভাঙ্গা-গড়া, জয়-পরাজয়, আন্দোলন-সংগ্রামের ভেতর দিয়ে গড়ে উঠেছে এ জনপদ, এর মানুষ, এর জীবনধারা, এর বৈশিষ্ট্য। কীর্তিনাশা ধরলা, তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র, দুধকুমার, ফুলকুমার এজনপদের যেমন অনেক কিছু গ্রাস করেছে, অন্যদিকে দেশী-বিদেশী নিষ্ঠুরশাসন-শোষণের যাতাকলে…

বিস্তারিত

চান্দামারি মসজিদ, কুড়িগ্রাম

চান্দামারি মসজিদ, কুড়িগ্রাম

আমাদের দেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনা আমাদের অতীত ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে ধারণ করে এখনো স্বমহিমায় নিজের অস্তিত্ব জানান দেয়। প্রতিটি জেলার এসব ঐতিহাসিক স্থাপনা যেমন আমাদের দেশের সৌন্দর্যের অন্যতম অনুষঙ্গ তেমনি পর্যটকদেরও আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। ভারতের মেঘালয় রাজ্য ঘেঁষা ও যমুনা নদীর

সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হকের কুড়িগ্রামে

সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হকের কুড়িগ্রামে

উত্তর জনপদের একটি জেলা কুড়িগ্রাম। এটি রংপুর বিভাগের একটি জেলা। ঢাকা থেকে সড়কপথে কুড়িগ্রাম জেলার দূরত্ব প্রায় ৩৫০ কিলোমিটার। ভারতের সঙ্গে তিনটি রাজ্যের সীমান্তঘেঁষা এ জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, ধরলা, দুধকুমার, ফলকুমার, নীলকমল, গঙ্গাধর, শিয়ালদহ, কালজানী, বোয়ালমারী,

ঘরে ঘরে হরেক রকম পিঠা

ঘরে ঘরে হরেক রকম পিঠা

বাঙালির চিরায়ত ঐতিহ্য নবান্ন উৎসব। নতুন ধান কাটা ও সেই সঙ্গে ধানের প্রথম অন্ন খাওয়াকে কেন্দ্র করে কুড়িগ্রামে ঘরে ঘরে চলে নবান্নের আমেজ। হেমন্তের কুয়াশা ভেজা ঋতুতে দিগন্ত জোড়া মাঠে পাকাধান খেতের সোনালি রঙ দেখে কৃষকের মনে বয় আনন্দের হাওয়া।

উলিপুরে মুন্সিবাড়ী, কুড়িগ্রাম

উলিপুরে মুন্সিবাড়ী, কুড়িগ্রাম

উপজেলার ধরনীবাড়ী ইউনিয়নে ৩৯ একর জমির উপর মুন্সিবাড়ীটি নির্মাণ করা হয়। সঠিক দিনক্ষণ জানা না থাকলেও এ অঞ্চলের জমিদার বিনোদ লাল মুন্সির তত্ত্বাবধানে বাড়িটি নির্মাণ করা হয়। বাড়িটি দেখলেই মনে হবে কোন শিল্পীর হাতে আঁকা এক চিলতে ছবি। তহশিলদার যে

নাওডাঙ্গা জমিদার বাড়ি, কুড়িগ্রাম

নাওডাঙ্গা জমিদার বাড়ি, কুড়িগ্রাম

কালের সাক্ষী নাওডাঙ্গা জমিদার বাড়ি। অবিভক্ত ভারতবর্ষে অনেক আগে নাওডাঙ্গা পরগনার জমিদার বাহাদুর প্রমদারঞ্জন বক্সী এটি নির্মাণ করেন। তার শাসন আমলে এই পরগনার অধীন ছিল কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার বিদ্যাবাগিশ, শিমুলবাড়ী, তালুক শিমুলবাড়ী, কবির মামুদ প্রভৃতি। পাঙ্গা এলাকায় এ জমিদারের আরেকটি

কুড়িগ্রামের সকল দর্শনীয় স্থানসমূহ

কুড়িগ্রামের সকল দর্শনীয় স্থানসমূহ

কুড়িগ্রামে পর্যটন শিল্পে উল্লেখযোগ্য তেমন কিছু নেই। তবে এখানকার চিলমারী নৌবন্দরটিস্বাধীনতার পূর্বকালে এ অঞ্চলে একটি বৃহত্তর নৌবন্দর ছিল। এটিকে পর্যটনস্থান হিসেবে গড়ে তোলা যেতে পারে। ভূরুঙ্গামারীর বঙ্গসোনাহাট রেলওয়েব্রীজটি ব্রিটিশ আমলের প্রাচীন ঐতিহ্য। এটিও পর্যটকদের জন্য দর্শনীয় স্থানহতে পারে। কুড়িগ্রাম পৌরসভা

কুড়িগ্রামের চিলমারী বন্দর

কুড়িগ্রামের চিলমারী বন্দর

কুড়িগ্রাম জেলা সদর থেকে ৩৫ কিমি দক্ষিণে ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরে অবসিহত। ব্রহ্মপুত্র নদের এবং চিলমারি বন্দরের গুরুত্ব অপরিসীম । ব্রহ্মপুত্র নদ পৃথিবীর অষ্টম বৃহত্তম নদ। চিলমারি বন্দরকে নিয়ে আববাস উদ্দীনের বিখ্যাত ভাওয়াইয়া গান আজও বাংলার লোকসঙ্গীতের সম্পদ। এই চিলমারি বন্দর

কুড়িগ্রাম শাহী মসজিদ

কুড়িগ্রাম শাহী মসজিদ

কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলা সদর থেকে ১ কিমি উত্তর-পূর্ব দিকে ব্যাপারীপাড়া শাহী মসজিদ অবসিহত। মসজিদটির দৈর্ঘ্য ৩২ ফুট প্রসহ ১০ ফুট। চারপাশে ৩ ফুট উঁচু প্রাচীর দ্বারা সুরক্ষিত । মসজিদের সামনে ৩টি দরজা। একটি সুদৃশ্য প্রবেশ তোরণ, ০২টি মিনার এবং

কুড়িগ্রাম জেলার ইতিহাস-ঐতিহ্য

কুড়িগ্রাম জেলার ইতিহাস-ঐতিহ্য

বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের ভারতীয় সীমান্ত ঘেঁষা জেলা কুড়িগ্রাম। এ জেলার পূর্বদিকে ভারতের আসাম, ত্রিপুরা রাজ্য ও জামালপুর জেলা, উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কুচবিহার, জলপাইগুঁড়ি ও আসাম রাজ্য, পশ্চিমে লালমনিরহাট, রংপুর জেলা ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ এবং দক্ষিণে গাইবান্ধা ও জামালপুর জেলা। উত্তর