;

গাইবান্ধা

বৌদ্ধ, হিন্দু, মোঘল, পাঠান আমলসহ ইংরেজ শাসনামলের স্মৃতি বিজড়িত জেলা

গাইবান্ধার ইতিহাস

বৌদ্ধ, হিন্দু, মোঘল, পাঠান আমলসহ ইংরেজ শাসনামলের স্মৃতি বিজড়িত আমাদের এই গাইবান্ধা জেরা। বিভিন্ন শাসনামলে নানা সংগ্রাম-বিদ্রোহ এ অঞ্চলে সংঘটিত হয়েছে। গাইবান্ধা আদিতে কেমন ছিল সে বিষটি প্রথমে আলোচনা করা দরকার। বিভিন্ন সুত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য এব্যাপারে বেশ কিছু ধারনা দেয়। গাইবান্ধা জেলার মুল ভুখন্ড নদীর তলদেশে ছিল এবং কালক্রমে যা নদীবাহিত পলিতে ভরাট হয় এবং এতদঞ্চলে সংঘঠিত একটি শক্তিশালী…

বিস্তারিত

গোবিন্দগঞ্জের বর্ধনকুঠি, গাইবান্ধা

গোবিন্দগঞ্জের বর্ধনকুঠি, গাইবান্ধা

গোবিন্দগঞ্জ, গাইবান্ধা জেলার একটি অন্যতম ঐতিহ্যবাহী উপজেলা। বর্ধনকুঠি এই উপজেলারই একটি ঐতিহ্যবাহী  স্থাপনা।  ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনামলে রাজা হরিনাথ বর্ধনকুঠি শাসন করেছিলেন। তবে ভারতীয় উপমহাদেশের বিভক্তির সময় বর্ধন কুঠির সর্বশেষ শাসক রাজা শৈলেশ চন্দ্র বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাড়ি জমান।

জামাল রহঃ-এর পবিত্র মাজার, গাইবান্ধা

জামাল রহঃ-এর পবিত্র মাজার, গাইবান্ধা

ভারতীয় উপমহাদেশে ইসলাম প্রচারের জন্য যে ৩৬০জন আওলিয়ার আগমন ঘটেছিল; তার মধ্যে হযরত শাহ্ জালাল (রহঃ) অন্যতম। হযরত শাহ্ পরান (রাহঃ), হযরত শাহ্ কামাল(রহঃ), হযরত শাহ্ জামাল (রহঃ), সৈয়দ জাহান (রহঃ), নিজাম উদ্দিন (রহঃ), সৈয়দ কুতুব উদ্দিন (রহঃ), সুলতানশাহ্ (রহঃ)

জামালপুর শাহী মসজিদ গাইবান্ধায়

জামালপুর শাহী মসজিদ গাইবান্ধায়

ইতিহাস-ঐতিহ্যে কালের সাক্ষী হয়ে আজও দাড়িয়ে আছে জামালপুরের শাহী মসজিদ। নির্মাণশৈলীর দিক থেকে মুসলিম অন্যান্য স্থাপত্যের দৃষ্টিতে খুব উচ্চতর পর্যায়ের না হলেও, ঐ স্থানের মুসলিম সম্প্রদায়কে এখনো আলোড়িত এবং উদ্বেলিত করে প্রাচীন এই স্থাপনাটি। গাইবান্ধা জেলার সাদুল্যাপুর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের

গাইবান্ধার রসমঞ্জরীর জয়গান

গাইবান্ধার রসমঞ্জরীর জয়গান

মিষ্টান্নজাতদ্রব্যের প্রতি বাঙালীর টান আদিকালের। দেশের সর্বত্রই তাই তৈরী হয় নানা স্বাদের-নানা পদের ও নানা বর্ণের মিষ্টি। তবে একই মিষ্টি বিভিন্ন অঞ্চলেই তৈরী হলেও— এক-এক অঞ্চল এক-এক মিষ্টির জন্য প্রসিদ্ধি লাভ করে। আর তা লাভ করে— সেই সেই অঞ্চলের কারিগরদের

গাইবান্ধার বালাসীঘাট

গাইবান্ধার বালাসীঘাট

গাইবান্ধা জেলা বাসস্ট্যান্ড হতে অটো রিক্সা, রিক্সা ও সি.এন.জি.যোগে যাওয়া যায়। ফুলছড়ি উপজেলার বালাসীঘাট একটি দর্শনীয় স্থান । এখানে প্রতিদিন পার্শ্ববর্তী উপজেলা, জেলার পাশাপাশি বিদেশী পর্যটক বালাসী ঘাটের প্রাকৃতিক পরিবেশ দেখার জন্য আসেন। বালাসী ঘাট প্রাকৃতিক দৃশ্য মন্ডিত একটি দর্শনীয় স্থান।

গাইবান্ধার ঐতিহ্যবাহী বর্ধনকুঠি

গাইবান্ধার ঐতিহ্যবাহী বর্ধনকুঠি

সুদূর প্রাচীন কাল থেকে (বর্তমান) গোবিন্দগঞ্জ উপজেলাধীন বর্ধনকুঠি তৎকালীন রাজা বাদশাদের গূরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ইউনিট ছিল। ষোড়শ শতাব্দীর শুরুতে এখানে রাজা রামপাল এখানে বাসুদেব মন্দির নির্মাণ করেন। তখন রাজা মানসিংহ বাংলার সুবাদার ছিলেন। ইংরেজ আমলে তা জমিদার বাড়ী হিসেবে খ্যাতি পায়।

ভরতখালী কাষ্ঠ মন্দির (কালি মন্দির), গাইবান্ধা

ভরতখালী কাষ্ঠ মন্দির (কালি মন্দির), গাইবান্ধা

ভরতখালী কাষ্ঠ মন্দির (কালি মন্দির) এ অঞ্চলের হিন্দু ধর্মালম্বীদের তীর্থ স্থান। ধারণা করা হয় প্রায় -দু’শ বছর পূর্বে এ মন্দির নির্মিত হয়েছিল। এই মন্দিরকে ঘিরে আলৌলিক জনশ্রুতি রয়েছে। যমুনা নদী থেকে ভেসে একটি পোড়া কাষ্ঠ থেকে এই মন্দির সৃষ্টি হয়েছে

প্রাচীন মাস্তা মসজিদ, গাইবান্ধা

প্রাচীন মাস্তা মসজিদ, গাইবান্ধা

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা হতে কোন যানবাহন ব্যবহার করে মাস্তা মসজিদে যাওয়া যায় । গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা সদর হতে প্রায় ০৩ কি.মি. দক্ষিণে এবং কামারদহ ইউনিয়নের ফাঁসিতলা বাজার হতে ০১ কি.মি. উত্তরে মহাসড়কের পশ্চিম পার্শ্বে মাস্তা মসজিদ অবস্থিত । যে কোন যানবাহন ব্যবহার

নাম কেন গাইবান্ধা?

নাম কেন গাইবান্ধা?

জেলা শহরের বর্তমান অবস্থানের গাইবান্ধা নামকরণ ঠিক কবে নাগান হয়েছে তার সঠিক তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি। তবে রংপুরের কালেকক্টর ইজি, গ্লেজিয়ার ১৮৭৩ সালে যে রিপোর্ট প্রণয়ন করেছিলেন সেই রিপোর্ট গাইবান্ধা নামটি ইংরেজিতে লেখা হয়েছে এণঊইঅঘউঅ এবং সেই এণঊইঅঘউঅ এর অবস্থান