;

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

নবাব আলীবর্দী খাঁর আমলে নবাবগঞ্জ নামকরণ হয়

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ইতিহাস

ক. চাঁপাইনবাবগঞ্জ নামটি সাম্প্রতিককালের। ইতোপূর্বে এই এলাকা ‘নবাবগঞ্জ’ নামে পরিচিত ছিল। চাঁপাইনবাবগঞ্জের নামকরণ সম্পর্কে জানা যায়, প্রাক-ব্রিটিশ আমলে এ অঞ্চল ছিল মুর্শিদাবাদের নবাবদের বিহারভূমি এবং এর অবস্থান ছিল বর্তমান সদর উপজেলার দাউদপুর মৌজায়। নবাবরা তাঁদের পাত্র-মিত্র ও পারিষদসহ এখানে শিকার করতে আসতেন বলে এ স্থানের নাম হয় নবাবগঞ্জ। বলা হয়ে থাকে যে, বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার নবাব সরফরাজ খাঁ (১৭৩৯-৪০ খ্রি) একবার শিকারে…

বিস্তারিত

ধনিয়াচক মসজিদ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ

ধনিয়াচক মসজিদ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ

রাজশাহী বিভাগের প্রশাসনিক অঞ্চল চাঁপাইনবাবগঞ্জ ভারত বিভক্তির পূর্বে ছিলো মালদহ জেলার একটি অংশ। প্রাচীন এবং ঐতিহ্যবাহী এই জেলাটি আমের দেশ নামে পরিচিত। প্রাচীন গৌড়ের অংশ চাঁপাইনবাবগঞ্জে রয়েছে ঐতিহাসিক নানা পুরাকীর্তি। এখানকার পুরাকীর্তির একটি ধনিয়াচক মসজিদ। মসজিদটি বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এর

শাহ নেয়ামত উল্লাহ (রঃ) এর মাজার, চাঁপাইনবাবগঞ্জ

শাহ নেয়ামত উল্লাহ (রঃ) এর মাজার, চাঁপাইনবাবগঞ্জ

উপমহাদেশে ইসলাম প্রচারের শুরু থেকেই এদেশে নানা পীর আউলিয়াদের আগমন ঘটে। তাদের আগমন ও ইসলাম প্রচারের সূত্র ধরে এই অঞ্চলে মুসলমানদের বিভিন্ন স্থাপত্যও গড়ে উঠে। সেই সব স্থাপত্য এবং পুরাকীর্তি অতীত ইতিহাস ঐতিহ্য ও ভাব গম্ভীর ইতিহাসের স্মরণ করিয়ে দেয়।

ঐতিহাসিক খনিয়াদিঘি মসজিদ: চাঁপাইনবাবগঞ্জ

ঐতিহাসিক খনিয়াদিঘি মসজিদ: চাঁপাইনবাবগঞ্জ

মুসলিম শাসনের শুরু থেকেই এদেশে ধর্মীয় নানা স্থাপনা প্রতিষ্ঠার ইতিহাস পাওয়া যায়। স্থাপত্য শৈলী এবং অলংকরণের দিক দিয়ে এগুলো আজো অনন্য ঐতিহাসিক নিদর্শন হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। সাক্ষী হচ্ছে এক কাল থেকে অন্য কালের। ১৪৫০ থেকে ১৫৬৫ খ্রিষ্টাব্দ অবধি গৌড় ছিলো

দরসবাড়ি মসজিদ: গৌড় লখনৌতির বাংলাদেশ অংশের সর্ববৃহৎ মসজিদ

দরসবাড়ি মসজিদ: গৌড় লখনৌতির বাংলাদেশ অংশের সর্ববৃহৎ মসজিদ

ত্রয়োদশ শতাব্দীর শেষ ভাগে ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজির হাত ধরে বাংলায় মুসলিম আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হয়। সে ধারাবাহিকতায় এই অঞ্চলে মুসলিম সাম্রাজ্য বৃদ্ধি পেয়ে আজ এতো সমৃদ্ধ। তৎকালীন সময়ে মানুষের মাঝে ইসলামকে ছড়িয়ে দিতে নানা জায়গায় নির্মাণ করা হয়েছে মসজিদ মাদ্রাসা।

ছোট সোনা মসজিদ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ

ছোট সোনা মসজিদ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার একটি অন্যতম প্রাচীন নিদর্শন ছোট সোনা মসজিদ। এই মসজিদটি সুলতান হুসাইন শাহর শাসনামলে ১৪৯৩ থেকে ১৫১৯ সালের মধ্যে নির্মাণ করা হয়। মসজিদের ৫০টি গম্বুজ মূল্যবান ধাতু দিয়ে খচিত থাকায় এটিকে ছোট সোনা মসজিদ বলা হয়। বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতত্ত্ব

ঐতিহ্যবাহী তোহাখানা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ

ঐতিহ্যবাহী তোহাখানা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ

তোহাখানা একটি তিনতলা বিশিষ্ট রাজ প্রাসাদ। তোহাখানা ফার্সি শব্দ, যার আভিধানিক অর্থ ঠান্ডা ভবন বা প্রাসাদ। গৌড়-লখনৌতির ফিরোজপুর এলাকায় একটি বড় পুকুরের পশ্চিম পাড়ে অবস্থিত ভবন কাঠামোটি ঐতিহ্যগতভাবে তোহাখানা নামে পরিচিত। চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে প্রায় ৩৫ কি.মি. দূরেুত্বে অবস্থিত শিবগঞ্জ উপজেলার

পীর শাহ নিয়ামত উল্লাহ ওয়ালীর সমাধিস্থল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ

পীর শাহ নিয়ামত উল্লাহ ওয়ালীর সমাধিস্থল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ

বার আউলিয়ার দেশ বাংলাদেশ। এই দেশে ইসলাম প্রচারের জন্য এসেছে অনেক সুফী সাধক। তার মধ্যে অন্যতম পীর শাহ নিয়ামত উল্লাহ ওয়ালী। দিল্লির করনৌল প্রদেশের অধিবাসী শাহ নিয়ামত উল্লাহ ছিলেন একজন সাধক পুরুষ। কথিত আছে তিনি ছিলেন প্রচন্ড ভ্রমণপাগল মানুষ। ভ্রমণ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের কলাইয়ের রুটি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের কলাইয়ের রুটি

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী চাল-কলাইয়ের রুটি সত্যি খুব সুস্বাদু পিঠা। একবার খেলেই বুঝতে পারবেন কত মজা। এটি দু’হাত দিয়ে অভিনব কৌশলে চটকে চটকে বড় করে ‘খোলা’ নামক মাটির বিশেষ পাত্রে দিয়ে গরম করে তৈরী হয়। গরম গরম উঠিয়ে বেগুন ভর্তা কিংবা ধনে