;

মেহেরপুর

মিহিরের নাম থেকে মিহিরপুর পরবর্তীতে মেহেরপুর

মেহেরপুরের ইতিহাস

ইতিহাসের স্বর্ণপাতা থেকে অনেক অনেক পূর্বেই হারিয়ে গেছে মেহেরপুর-এর নামকরণ সম্পর্কে যথার্থ তথ্যসমূহ। অনুমান, অনুধাবন অথবা বিশ্লেষণ এই নিয়েই এ বিষয়ে আত্নতৃপ্তি ছাড়া গত্যন্তর নেই । দীর্ঘকাল ধরে এ বিষয়ে ব্যাপক লেখালেখি হয়েছে তবুও বিষয়টি তমাশাচ্ছন্ন রয়ে গেছে। মেহেররপুর নামকরণ সম্পর্কে এ পযর্ন্ত দুটি অনুমানসিদ্ধ তথ্য পাওয়া গেছে। একটি হচ্ছে ইসলাম প্রচারক দরবেশ মেহের আলী নামীয় জনৈক ব্যক্তির নামের সাথে…

বিস্তারিত

আমঝুপি নীলকুঠি, মেহেরপুর

আমঝুপি নীলকুঠি, মেহেরপুর

২০০ বছরের ব্রিটিশ শাসনের অন্যায় অত্যাচার আর লুণ্ঠনের ইতিহাস আজও ইতিহাসে অমলিন। সেই অত্যাচার আর অনাচারের সাক্ষী হিসেবে আজও দেশে অনেক স্থাপনা রয়ে গেছে। তেমনি একটি আমঝুপি নীল কুঠি। মেহেরপুরের ঐতিহাসিক জায়গা আমঝুপি নীলকুঠি, যা আমঝুপী গ্রামে অবস্থিত । এটি

ভাটপাড়া নীলকুঠি, মেহেরপুর

ভাটপাড়া নীলকুঠি, মেহেরপুর

ভাটপাড়া নীলকুঠি গাংনী উপজেলার অন্যতম উলেস্নখযোগ্য নীলকুঠি যা গাংনী থানার সাহারবাটি ইউনিয়নের ভাটপাড়ায় অবস্থিত। ১৮৫৯ সালে স্থাপিত ধ্বংস প্রায় এই নীলকুঠিটি ইট, চুন-শুরকি দ্বারা নির্মাণ করা হয়। এর ছাদ লোহার বীম ও ইটের টালি দিয়ে তৈরী। এই কুঠির পাশ দিয়ে

মুজিবনগর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কমপ্লেক্স, মেহেরপুর

মুজিবনগর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কমপ্লেক্স, মেহেরপুর

বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার এর শপথ গ্রহণের স্থান হিসেবে মুজিবনগর ঐতিহাসিকভাবে অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান। শপথ গ্রহণের স্মৃতিকে অম্লান করে ধরে রাখার উদ্দেশ্যে শপথগ্রহণের স্থানে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়েছে। ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এ স্থানের আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলার লক্ষ্যে উক্ত কমপ্লেক্সে

এক নজরে মেহেরপুরের দর্শনীয় ও ঐতিহাসিক স্থান সমূহ

এক নজরে মেহেরপুরের দর্শনীয় ও ঐতিহাসিক স্থান সমূহ

এক নজরে মেহেরপুরের দর্শনীয় ও ঐতিহাসিক স্থান সমূহ___ মুজিবনগর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কমপ্লেক্স ও আম্রকানন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার এর শপথ গ্রহণের স্থান হিসেবে মুজিবনগর ঐতিহাসিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান। শপথ গ্রহণের স্মৃতিকে অম্লান করে ধরে রাখার উদ্দেশ্যে শপথ গ্রহণের স্থানে একটি

মেহেরপুরের মিষ্টি সাবিত্রী ও রসকদম্ব

মেহেরপুরের মিষ্টি সাবিত্রী ও রসকদম্ব

মেহেরপুরের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি সাবিত্রী ও রসকদম্ব ১৮৬১ সাল থেকে এখন পর্যন্ত তাদের ঐতিহ্য ধরে রেখেছে। এই মিষ্টি তৈরির বর্তমান মালিক ও কারিগর জানালেন, এটি তৈরি করার যে কৌশল তা কেবল তাদের বংশপরম্পরায় সীমাবদ্ধ। আজ থেকে তাদের পাঁচ পুরুষ আগে পঞ্চানন