;

বাগেরহাট

বাঁকেরহাট পরিবর্তিত হয়ে দাঁড়িয়েছে বাগেরহাট

বাগেরহাটের ইতিহাস

বাগেরহাটের নাম কে করে দিয়েছিলেন তা গবেষণা সাপেক্ষ হলেও আজ তা নিরূপন করা দুঃসাধ্য। কারো কারো মতে বাগেরহাটের নিকটবর্তী সুন্দরবন থাকায় এলাকাটিতে বাঘের উপদ্রব ছিল, এ জন্যে এ এলাকার নাম হয়ত ‘‘বাঘেরহাট’’ হয়েছিল এবং ক্রমান্বয়ে তা বাগেরহাট-এ রূপান্তরিত হয়েছে। মতান্তরে হযরত খানজাহান(রঃ) এর প্রতিষ্ঠিত ‘‘খলিফাত-ই-আবাদ’’ এর বিখ্যাত ‘‘বাগ’’ অর্থ বাগান, এ অঞ্চলে এতই সমৃদ্ধি লাভ করে যে, তা থেকেই হয়ে…

বিস্তারিত

এতিহ্যবাহী ষাট গম্বুজ মসজিদ, বাগেরহাট: আমাদের গর্বের স্থাপত্য

এতিহ্যবাহী ষাট গম্বুজ মসজিদ, বাগেরহাট: আমাদের গর্বের স্থাপত্য

বাংলাদেশের যে কয়েকটি স্থাপত্য সারা বিশ্বে জনপ্রিয় হয়েছে এবং প্রশংসিত হয়েছে তার মধ্যে প্রথম দিকেই আছে ষাট গম্বুজ মসজিদ। হযরত খানজাহান (রঃ) কর্তৃক নির্মিত অপূর্ব কারুকার্য খচিত পাঁচ শতাব্দীরও অধিক কালের পুরাতন বিশালায়তন এ মসজিদটি তাঁর দরগাহ হতে প্রায় দেড়

বাগেরহাট নামটি যেভাবে হলো!

বাগেরহাট নামটি যেভাবে হলো!

খ্রীষ্টীয় চৌদ্দ শতকে সুলতানী আমলে আজকের বাগেরহাট ছিলো খলিফাতাবাদের রাজধানী। ‘খান-উল-আযম উলুঘ খান-ই-জাহান’ গৌড়ের সুলতানদের প্রতিনিধি হিসেবে বর্তমান যশোর, খুলনা ও বাগেরহাটের বড় একটি এলাকা নিয়ে গঠিত এই খলিফাতাবাদ শাসন করতেন। সমসাময়িক সময়ের পর্তুগীজদের তৈরি এই অঞ্চলের মানচিত্রে ‘কিউপিটাভাজ’ নামে

ঘোড়া দীঘি, বাগেরহাট: খানজাহান (রঃ) এর খননকৃত এ অঞ্চলের প্রথম দীঘি

ঘোড়া দীঘি, বাগেরহাট: খানজাহান (রঃ) এর খননকৃত এ অঞ্চলের প্রথম দীঘি

বাগেরহাট জেলা সদরের ষাটগম্বজ ইউনিয়নের সুন্দরঘোনা গ্রামে খান জাহান (রহ:) যে হাবেলী বা প্রশাসনিক কেন্দ্র গড়ে তোলেন তার নিকটে ষাটগম্বুজ মসজিদের পশ্চিম পাশে অবস্থিত ঘোড়া দীঘি। তবে সবচেয়ে মজার তথ্য হল, এটিই সম্ভাবত হযরত খানজাহান (রহ:) খনন কৃত এ অঞ্চলের

হযরত খানজাহান (রঃ) এর মাজার, বাগেরহাট

হযরত খানজাহান (রঃ) এর মাজার, বাগেরহাট

ষাটগম্বুজ মসজিদসহ তৎকালীন ‘খলিফতাবাদ’ নগর রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা ‘খান-উল-আযম উলুঘ খান-ই-জাহান’ ছিলেন একজন মুসলিম ধর্ম প্রচারক এবং তৎকালীন স্থানীয় শাসক। বাগেরহাট জেলা সদর থেকে প্রায় ৪ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং ষাট গুম্বজ মসজিদ হতে প্রায় ২.৫ কি:মি: দক্ষিণ-পূর্বে খানজাহান (রহ:) এর খননকৃত

বাগেরহাট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার

বাগেরহাট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার

বাগেরহাট বহুমুখী কলেজিয়েট স্কুলের (টাইন স্কুল) সামনে নির্মিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারটি ১৯৯৬ সালে উদ্বোধন করা হয়। এর আগে ১৯৫৩ সাল থেকে শহরের খানজাহান আলী সড়কে তৎকালীন কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাংক সংলগ্ন মাঠে কাঠের তৈরি অস্থায়ী শহীদ মিনারে শহীদ দিবস পালিত হতো।

দরিয়া খাঁ’র মসজিদ বা রণবিজয়পুর মসজিদ, বাগেরহাট

দরিয়া খাঁ’র মসজিদ বা রণবিজয়পুর মসজিদ, বাগেরহাট

বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ এক গুম্বজ বিশিষ্ট মসজিদ: দরিয়া খাঁ’র মসজিদ। হযরত খানজাহান (রহ.)-এর কীর্তিরাজি দেখতে বাগেরহাটে আসা কৌতূহলী পর্যটকরা এখন আর খুব সহজে খুঁজে পাবেন না দরিয়া খাঁ’র মসজিদ। হযরত খানজাহান (রহ.)-এর অন্যতম ঘনিষ্ঠ সহচর এই দরিয়া খাঁ’র মসজিদটি আজ বিস্মৃতপ্রায়

চুনাখোলা মসজিদ, বাগেরহাট

চুনাখোলা মসজিদ, বাগেরহাট

ঐতিহাসিক মসজিদের শহর বাগেরহাটের অন্যতম একটি প্রাচীন নিদর্শন চুনাখোলা মসজিদ। পোড়া মাটির অলংকরণে মধ্যযুগীয় স্থাপত্য শৈলিতে নির্মিত মসজিদটি হযরত খান জাহান (রহ:)এর আমলের। ষাটগম্বুজ মসজিদ থেকে প্রায় এক কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে বাগেরহাট সদর উপজেলার ষাটগম্বুজ ইউনিয়নের চুনোখোলা গ্রামে এ মসজিদটির অবস্থান।

বিবি বেগনী মসজিদ, বাগেরহাট

বিবি বেগনী মসজিদ, বাগেরহাট

ষাটগম্বুজ মসজিদ থেকে আনুমানিক ৮০০ মিটার পশ্চিমে, বাগেরহাট সদর উপজেলার ষাটগম্বুজ ইউনিয়নের বারাকপুর গ্রামে; ঘোড়া দিঘির পশ্চিম পাড়ে অবস্থিত বিবি বেগনী মসজিদ। ষাটগুম্বুজ মসজিদের উত্তর-পশ্চিম দিকের পথ ধরে ঘোড়া দিঘির পাশ দিয়ে সোজা পশ্চিমের পথে যেতে হাতের বামে চোখে পড়বে

সিঙ্গাইর মসজিদ, বাগেরহাট

সিঙ্গাইর মসজিদ, বাগেরহাট

সিঙ্গাইর মসজিদ একটি মধ্যযুগীয় ঐতিহাসিক মসজিদ। ঐতিহাসিক ষাটগম্বুজ মসজিদ থেকে মাত্র ২৫ মিটার দক্ষিণ-পূর্বে খুলনা-বাগেরহাট মহাসড়কের পাশে সুন্দরঘোনা গ্রামে অবস্থিত এ মসজিদটি। সিঙ্গাইর মসজিদ একগম্বুজ বিশিষ্ট একটি মসজিদ। বর্গাকারে নির্মিত সিঙ্গাইর মসজিদের আয়তন (১২.০৪x১২.০৪) মিটার এবং দেয়ালগুলোর পুরুত্ত্ব গড়ে ২.১০মিটার।

বাগেরহাটের ঐতিহ্যবাহী প্রবাদ-প্রবচন

বাগেরহাটের ঐতিহ্যবাহী প্রবাদ-প্রবচন

প্রাত্যহিক জীবনের ঘাত-প্রতিঘাতে ছন্দবদ্ধ কথা, কোন বিশেষ পরিচিতি সহ নানা বিষয় নিয়ে প্রবাদ-প্রবচনের ব্যপক প্রচলন রয়েছে আমদের বাগেরহাটে। এমন কিছু সংগ্রহ তুলে ধরা হলো- ১। কায়দার বাগেরহাট বেকায়দার ফকিরহাট চিত কারেঙ্গা চিতলমারী ভুট করেঙ্গা ভুটেমারী ।। ২। কালা গরু কালেশ্বর