;

গোপালগঞ্জ

মধুমতির কোল ঘেঁষে গড়ে ওঠা শহর

গোপালগঞ্জের ইতিহাস

মধুমতির কোল ঘেঁষে গড়ে উঠেছে গোপালগঞ্জ জেলার সভ্যতা-সাংস্কৃতিক অবকাঠামো। প্রাচীনকালে এ এলাকাটি বঙ্গ অঞ্চলের অন্তর্গত ছিল। সুলতানী ও মোঘল যুগে এ অঞ্চল হিন্দু রাজারা শাসন করতেন। চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের (১৭৯৩) সময় গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলা ছিল যশোর জেলার অন্তর্গত আর বাকী অংশ ছিল ঢাকা-জালালপুর জেলার অন্তর্ভুক্ত। ১৮০৭ সালে মুকসুদপুর থানা যশোর থেকে ফরিদপুর জেলার সাথে যুক্ত হয়। ফরিদপুর জেলার একটি পরগনার…

বিস্তারিত

গোপালগঞ্জের পদ্মবিল: যেনো ঠিক পদ্মফুলের গালিচা

গোপালগঞ্জের পদ্মবিল: যেনো ঠিক পদ্মফুলের গালিচা

এক গুচ্ছ পদ্মফুল হাতে এনে দিলে কার না মন প্রফুল্ল হয়ে উঠবে! বিলে ফুটে থাকা অজস্র পদ্মের সৌন্দর্য আসলেই অপার্থিব। আমাদের চিরায়ত গ্রাম বাংলার অন্যতম মনভোলানো দৃশ্য এটি । গানে, কবিতায় অসংখ্য বার নীলপদ্মের কথা বলেছেন কবিরা। নীলপদ্ম হয়ত চাইলেই

ঘুরে আসুন টুঙ্গিপাড়া থেকে, জাতির জনকের স্মৃতি যেখানে

ঘুরে আসুন টুঙ্গিপাড়া থেকে, জাতির জনকের স্মৃতি যেখানে

মধুমতি নদীর তীরে পাটগাতির পরেই টুঙ্গিপাড়া। গোপালগঞ্জ শহর থেকে ১৯ কিলোমিটার দূরে এই টুঙ্গিপাড়া। নির্জন নিরিবিলি উপজেলা শহর এখন। এখানে চারদিকে গাছগাছালি, ফল ও বিল। যেন ছবির মতো সাজানো। এই টুঙ্গিপাড়ায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের (Sheikh Mujibur Rahman)

গোপালগঞ্জের অপার্থিব পদ্মের বিলে!!

গোপালগঞ্জের অপার্থিব পদ্মের বিলে!!

পদ্মফুলকে বলা হয় ‘জলের রানি’। আর বিস্তীর্ণ জলাভূমিজুড়ে যখন পদ্মফুল ফুটে থাকে সেই সৌন্দর্য নিশ্চয়ই অপার্থিব। এমনই এক অপূর্ব সুন্দর বিল আছে আমাদের দেশেই। যে বিলজুড়ে কেবলই পদ্মের মেলা। অপূর্ব সুন্দর এই বিল দেখতে আপনাকে আসতে হবে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত জেলা

গোপালগঞ্জের সেরা খাবার

গোপালগঞ্জের সেরা খাবার

দত্ত মিষ্টান্ন ভান্ডারের রসগোল্লা ও ছানার জিলাপি, দানোর সন্দেশ, নারায়ন চন্দ্র সাহার রস মঞ্জুরী ও দধি গোপালগঞ্জ জেলার বিখ্যাত খাবার। লেখা: মেহজাবিন খান

গোপালগঞ্জ জেলার দর্শনীয় স্থান সমূহ

গোপালগঞ্জ জেলার দর্শনীয় স্থান সমূহ

প্রাকৃতিক শোভায় সুশোভিত গোপালগঞ্জ জেলায় রয়েছে বহু দৃষ্টিনন্দন স্থান। এসব স্থান সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত কিছু বর্ণনা উপস্থাপন করা হল- বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিধন্য টুঙ্গিপাড়া মধুমতি নদীর তীরে পাটগাতির পরেই টুঙ্গিপাড়া। কোনো কবি এখানে এলে রূপসী বাংলাকে স্বচক্ষে দেখতে পারেন-ই। তখন কবির কাব্যে প্রকৃতি

ওড়াকান্দি ঠাকুর বাড়ি, গোপালগঞ্জ

ওড়াকান্দি ঠাকুর বাড়ি, গোপালগঞ্জ

কাশিয়ানী থানার একটি ইউনিয়ন ২৩০২১র্ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯০৪৯ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে এর অবস্থান। ওড়াকান্দি মিড হাই স্কুল (১৯০৮) এ- অঞ্চলের প্রাচীন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান। এই স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন ডাক্তার মিড নামের একজন খ্রিস্টান মিশনারি। ১৮৮০ সালে গুরম্নচাঁদ ঠাকুর এখানে যে পাঠশালা প্রতিষ্ঠা

শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি সৌধ কমপ্লেক্স, গোপালগঞ্জ

শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি সৌধ কমপ্লেক্স, গোপালগঞ্জ

যথার্থ বাঙালি, যদি তুমি হও ক্ষণিক দাঁড়িয়ে যাও, এই সমাধিস্থলে…’ এটি কবি সৈয়দ ফখরুদ্দিন মাহমুদের ৩৩ লাইনের কবিতা ‘একটি অমর সমাধি’র প্রথম দুই লাইন। গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধ কমপ্লেক্সের এক নম্বর গেট দিয়ে ঢুকতেই চোখে পড়বে পাথরে

উলপুর জমিদার বাড়ী, গোপালগঞ্জ

উলপুর জমিদার বাড়ী, গোপালগঞ্জ

গোপালগঞ্জ সদর থেকে প্রায় ৮কিঃমিঃ উত্তরে অবস্থিত উলপুর গ্রাম। জানা যায় উলপুরের জমিদারেরা ছিলেন একশত ঘর শরীক। গ্রামটিতে এখনো টিকে আছে শতাব্দী প্রাচীন বেশ কয়েকটি বৃহদাকার দালান কোঠা। এর মধ্যে ৭/৮টি  রয়েছে দোতালা দালান । জমিদারী  প্রথা  কালের  গর্ভে  হারিয়ে 

বঙ্গবন্ধু সমাধিসৌধ, গোপলগঞ্জ: দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা

বঙ্গবন্ধু সমাধিসৌধ, গোপলগঞ্জ: দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা

আজ সকালে এসএম সুলতানের সমাধিসৌধ দেখে দীর্ঘপথ পাড়ি দিয়ে আমরা গোপালগঞ্জ জেলায় পৌছাই। যাত্রাপথটি মোটেও আরামদায়ক ছিল না কারন আমাদের কয়েক দফায় কয়েকটি পুরাতন লোকাল বাসে চড়তে হয়েছিল। নড়াইলের লোকাল বাসগুলোর মান ভাল না হলেও গোপালগঞ্জের লোকাল বাসগুলোর মান ছিল