;

ফরিদপুর

আউলিয়া-দরবেশ, রাজনীতিক, পূণ্যাত্মার আবাসভূমি

ফরিদপুরের ইতিহাস

সুপ্রাচীনকাল থেকেই ফরিদপুরের রয়েছে অনেক কীর্তিময় গৌরব-গাঁথা। ফরিদপুর জেলার প্রতিষ্ঠা ১৭৮৬ সালে। মতামত্মরে এ জেলা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮১৫ (বাংলা পিডিয়া)।এর আয়াতন ২০৭২.৭২ বর্গ কিলেমিটার। উত্তরে রাজবাড়ী এবং মানিকগঞ্জ জেলা, পশ্চিমে নড়াইল ও মাগুরা, দক্ষিণে গোপালগঞ্জ জেলা পূর্বে ঢাকা ও মুন্সীগঞ্জএবং মাদারীপুর জেলা। ফরিদপুর জেলায় মোট পৌরসভা ৪টি, ওয়ার্ড ৩৬টি, মহল্লা৯২টি, ইউনিয়ন ৭৯টি, গ্রাম ১,৮৫৯টি। মোট উপজেলা ৯টি। সেগুলো হচ্ছেঃ ফরিদপুরসদর,…

বিস্তারিত

ফরিদপুরের ঐতিহ্যবাহী খেজুরের গুড়

ফরিদপুরের ঐতিহ্যবাহী খেজুরের গুড়

ফরিদপুরের ঐতিহ্যবাহী খেজুরের গুড় সারা দেশে বিখ্যাত। সময়ের সাথে সাথে আবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। এক সময় এ অঞ্চলে ছিল প্রচুর খেজুর গাছ। তাই শীত মৌসুমের শুরুতেই বেড়ে যেত গাছীদের তৎপরতা। শীতের সকালে গাছীদের সংগৃহীত রস খেয়ে তৃপ্তি পেত লোকজন। বাড়িতে বাড়িতে

বাগাটের দেশখ্যাত দই, ফরিদপুর

বাগাটের দেশখ্যাত দই, ফরিদপুর

মাছ, মাংস যেমন-তেমন কিন্তু ভাই দইটা বাগাটেরই দিয়েছি, যাতে এর মান নিয়ে কোনো কথা না ওঠে।’ বিয়ে, অন্নপ্রাশন, মুসলমানি কিংবা অন্য কোনো সামাজিক অনুষ্ঠানে আয়োজকদের মুখ থেকে সচরাচর এ কথাটিই শোনা যায়। এ থেকেই বোঝা যায়, বাগাটের দই এ অঞ্চলের

ঘুরে আসুন পল্লী কবি জসীম উদ্দীনের বাড়ী, ফরিদপুর

ঘুরে আসুন পল্লী কবি জসীম উদ্দীনের বাড়ী, ফরিদপুর

ফরিদপুর সদর উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামে পল্লী কবি জসীম উদদীনের স্মৃতিবিজরিত বাড়ি। পুরনো এই  বাড়িটিতে ৪টি টিনের চার চালা ঘর ও কবির ব্যবহৃত বিভিন্ন জিনিসপত্র রয়েছে। বাড়ির চত্ত্বরে প্রদর্শন করা আছে কবির বিভিন্ন লেখা। পূর্ব ও পশ্চিমে পোর্শিদের বসতবাড়ী এবং দক্ষিণে

পল্লী কবি জসীম উদ্দীনের বাড়ী, ফরিদপুর

পল্লী কবি জসীম উদ্দীনের বাড়ী, ফরিদপুর

ফরিদপুর সদর উপজেলার অম্বিকাপুর রেলষ্টশনের উত্তরে কুমার নদীর দক্ষিণে গোবিন্দপুর গ্রামে পল্লী কবি জসীম উদ্দীনের বাড়ি। বাড়িতে চারটি পুরাতন টিনের চালা ঘর রয়েছে। কবির ব্যবহৃত বিভিন্ন জিনিসপত ঘরগুলোতে সংরক্ষিত রয়েছে। কবির বিভিন্ন লেখা বাড়ীর চত্ত্বরে প্রদর্শন করা আছে। বাড়ির পূর্ব

পাতরাইল মসজিদ, ফরিদপুর

পাতরাইল মসজিদ, ফরিদপুর

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আজিমনগর ইউনিয়নের পাতরাইলের আউলিয়া মসজিদ। প্রায় ১৫ শতাদ্বীর ঐতিহ্য। পর্যটন সম্ভাবনাও প্রচুর। কিন্তু আজও অবহেলিত ঐতিহ্য হয়ে রয়েছে। পুরাকীর্তি বলে ঘোষনা পেলেও পায়নি খাতির যত্ন। রয়েছে সংরক্ষনের অভাব। অবহেলায় ইতিহাস থেকে মুছেযেতে বসেছে এই ঐতিহ্য বাহী পুরাকীর্তি।

ফরিদপুরের আউলিয়া মসজিদ

ফরিদপুরের আউলিয়া মসজিদ

প্রায় ১৫ শতাদ্বীর ঐতিহ্য। পর্যটন সম্ভাবনাও প্রচুর। কিন্তু আজও অবহেলিত ঐতিহ্য হয়ে রয়েছে। পুরাকীর্তি বলে ঘোষনা পেলেও পায়নি খাতির যত্ন। রয়েছে সংরক্ষনের অভাব। অবহেলায় ইতিহাস থেকে মুছেযেতে বসেছে এই ঐতিহ্য বাহী পুরাকীর্তি। ঐতিহ্যের পুরাকীর্তি আউলিয়া মসজিদ ভাঙ্গা উপজেলার পাতরাইল আউলিয়া

ঘুরে আসুন জগদ্বন্ধু সুন্দরের আশ্রম, ফরিদপুর

ঘুরে আসুন জগদ্বন্ধু সুন্দরের আশ্রম, ফরিদপুর

মহাবতার শ্রী শ্রী প্রভু জগদ্বন্ধু সুন্দরের আবির্ভাব ২৮শে এপ্রিল ১৮৭১ বাংলা ১২৭৮ সনের ১৬ বৈশাখ রোজ শুক্রবার। মানবলীলা সংবরণ করেন ১৭ সেন্টেম্বর ১৯২১। পৈত্রিক নিবাস ফরিদপুর শহর সংলগ্ন গ্রাম গোবিন্দপুর। পিতা-শ্রী দীননাথ ন্যায়রত্ম, মাতা-শ্রীমতী বামাসুন্দরী দেবী। শ্রী শ্রী প্রভু সুন্দরের

জগদ্বন্ধু সুন্দর এর আশ্রম, ফরিদপুর

জগদ্বন্ধু সুন্দর এর আশ্রম, ফরিদপুর

মহাবতারী শ্রী শ্রী প্রভু জগদ্বন্ধু সুন্দরের আবির্ভাব ২৮শে এপ্রিল ১৮৭১ বাংলা ১২৭৮ সনের ১৬ বৈশাখ রোজ শুক্রবার। মানবলীলা সংবরণ করেন ১৭ সেন্টেম্বর ১৯২১। পৈত্রিক নিবাস ফরিদপুর শহর সংলগ্ন গ্রাম গোবিন্দপুর। পিতা-শ্রী দীননাথ ন্যায়রত্ম, মাতা-শ্রীমতী বামাসুন্দরী দেবী। শ্রী শ্রী প্রভু সুন্দরের

অদেখা ফরিদপুর

অদেখা ফরিদপুর

ঐতিহাসিক জেলা ফরিদপুরে রয়েছে অসংখ্য দর্শনীয় স্থান এর মধ্যে অন্যতম হল ১।পল্লী কবি জসীম উদ্দীনের বাড়ী এবং কবরস্থান– ফরিদপুর বাসষ্ট্যান্ড হতে ২ কিঃ মিঃ দূরে। রিক্সা/অটোরিক্সা/মাইক্রোবাস যোগে যাওয়া যায়। ২।নদী গবেষনা ইনষ্টিটিউট– ফরিদপুর নতুন বাসষ্ট্যান্ড হতে ১ কিঃ মিঃ দূরে।