;

খাগড়াছড়ি

অপরূপ সৌন্দর্য্যমন্ডিত ঢেউ খেলানো এলাকা

খাগড়াছড়ির ইতিহাস

১৯৮৩ সনের ৭ই নভেম্বর খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা গঠিত হয়। ২২.৩৮ডিগ্রী হতে ২৩.৪৪ডিগ্রী উত্তর অক্ষাংশ ও ৯১.৪২ ডিগ্রী হতে ৯২.১১ ডিগ্রী পূর্ব দ্রাঘিমাংশে এর অবস্থান। পাহাড়, ছোট ছোট নদী, ছড়া ও সমতল ভূমি মিলে এটি একটি অপরূপ সৌন্দর্য্যমন্ডিত ঢেউ খেলানো এলাকা। চেঙ্গী, মাইনী ও ফেণী প্রভৃতি এ জেলার উল্লেখযোগ্য নদী। এ ছাড়াও এতে রয়েছে ৩৩৬৮টি পুকুর, জলাশয় ও দীঘি যার ৬৭%…

বিস্তারিত

খাগড়াছড়ির শতবর্ষী বটগাছ

খাগড়াছড়ির শতবর্ষী বটগাছ

পাহাড়রাণী খাগড়াছড়িতে রয়েছে আকাশ-পাহাড়ের মিতালী, উপজাতীয় সংস্কৃতির বৈচিত্র্যতা, আর সবুজের অপার সমারোহ। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে আর রহস্যময়তায় ঘেরা খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা প্রকৃতিপ্রেমী ও ভ্রমণবিলাসীদের জন্য এক আদর্শ স্থান।প্রকৃতির অনন্য সৌন্দর্য ছড়িয়ে আছে এ জেলার আনাচে-কানাচে। এ জেলার বৈচিত্র্যময় জীবনধারা ও প্রাকৃতিক

হর্টিকালচার পার্ক, খাগড়াছড়ি

হর্টিকালচার পার্ক, খাগড়াছড়ি

অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর নৈসর্গের ছায়ায় ঘেরা একটি জেলা খাগড়াছড়ি। সারা দেশের পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ খাগড়াছড়ি। পাহাড়, ঝর্ণা আর সবুজের অবিরাম সমারোহ দেখতে এখানে নিয়মিতই  পর্যটকদের আনাগোনা। খাগড়াছড়ির আরেকটি পর্যটন সমৃদ্ধ স্থান হর্টিকালচার পার্ক। খাগড়াছড়ির জনপ্রিয় এই পার্কটি ২২ একর

বাইকে সাজেক, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজারে দুজনে!

বাইকে সাজেক, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজারে দুজনে!

আমাদের মোট ৭ দিনের (অক্টোবর ০৬ – অক্টোবর ১২, ২০১৮) এই ট্যুরের রুট প্ল্যানটি ছিলো এমন ঢাকা – খাগড়াছড়ি – সাজেক – কাপ্তাই – রাঙ্গামাটি – বান্দরবান – কক্সবাজার – ঢাকা। এই ট্যুরের প্রধান বিশেষত্ব হল, সম্পূর্ণ ট্যুরটি ছিল মোটরসাইকেলে,

দেবতার পুকুর, খাগড়াছড়ি

দেবতার পুকুর, খাগড়াছড়ি

কর্মব্যস্ত জীবন থেকে ছুট পেলেই কিছুটা প্রশান্তির খোঁজে মন চলে যেতে চায় প্রকৃতিঘেরা কোনো স্থানে। আর তাই খাগড়াছড়ি হতে পারে আপনার ভ্রমণের উপযুক্ত জায়গা। খাগড়াছড়ির সর্বত্রই ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে সৌন্দর্যের পসরা। আপনাকে মুগ্ধতার জালে আবদ্ধ করতে এখানে রয়েছে অসংখ্য দর্শনীয়

হাতিমাথা সিঁড়ি- ঘুরে আসি স্বর্গের সিঁড়ি থেকে

হাতিমাথা সিঁড়ি- ঘুরে আসি স্বর্গের সিঁড়ি থেকে

খাড়া উঁচু পাহাড়। দেখতে ঠিক হাতির মাথার মতো। তাই শত শত বছর ধরে স্থানীয় আদিবাসীরা একে ডাকে হাতিমাথা বা হাতিমুড়া নামে। এখানকার পাহাড়ি উঁচু পথকে স্থানীয়রা হাতিমুড়া/মায়ুং কপাল বলে  ডাকে। এখানেই রয়েছে স্বর্গের সিঁড়ি। না, সত্যিকার স্বর্গে যাওয়ার সিঁড়ি নয়,

তৈদুছড়ি ঝর্ণা: খাগড়াছড়ি

তৈদুছড়ি ঝর্ণা: খাগড়াছড়ি

কর্মব্যস্ত জীবন থেকে ছুট পেলেই কিছুটা প্রশান্তির খোঁজে মন চলে যেতে চায় প্রকৃতিঘেরা কোনো স্থানে। আর তা যদি হয় অনিন্দ্য সুন্দর শীতল ঝর্ণার স্রোত ধারায় হ্রদয় সিক্ত করার সুযোগ তবে ভ্রমণ হবে সার্থক। অসংখ্য ঝর্ণার স্থান খাগড়াছড়ি হতে পারে তাই

মায়াবিনী লেক, খাগড়াছড়ি

মায়াবিনী লেক, খাগড়াছড়ি

পাহাড়রাণী খাগড়াছড়িতে রয়েছে আকাশ-পাহাড়ের মিতালী, উপজাতীয় সংস্কৃতির বৈচিত্র্যটা, আর সবুজের অপার সমারোহ। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে আর রহস্যময়তায় ঘেরা খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা প্রকৃতপ্রেমী ও ভ্রমণবিলাসীদের জন্য এক আদর্শ স্থান।প্রকৃতির অনন্য সৌন্দর্য ছড়িয়ে আছে এ জেলার আনাচে-কানাচে। এ জেলার বৈচিত্র্যময় জীবনধারা ও প্রাকৃতিক

“নিউজিল্যান্ড পাড়া”-বাংলার নিউজিল্যান্ড

“নিউজিল্যান্ড পাড়া”-বাংলার নিউজিল্যান্ড

নিউজিল্যান্ড পাড়া ! শুনতে অদ্ভুত হলেও সত্যি বাংলাদেশের এই জায়গাটির নাম নিউজিল্যান্ড পাড়া। খাগড়াছড়ির একমাত্র সমতল ভূমি হলো এই নিউজিল্যান্ড। সবুজ ধানক্ষেত এবং পাহাড়ে পরিবেষ্টিত এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এককথায় নজরকাড়া। পাহাড়ি এলাকা খাগড়াছড়ির সবুজ এই সমভূমিকে তার নান্দনিক সৌন্দর্যের কারণে

শান্তিপুর অরণ্য কুঠির

শান্তিপুর অরণ্য কুঠির

কর্মব্যস্ত জীবন থেকে ছুট পেলেই কিছুটা প্রশান্তির খোঁজে মন চলে যেতে চায় প্রকৃতিঘেরা কোনো স্থানে। আর তাই খাগড়াছড়ি হতে পারে আপনার ভ্রমণের উপযুক্ত জায়গা। খাগড়াছড়ির সর্বত্রই ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে সৌন্দর্যের পসরা। আপনাকে মুগ্ধতার জালে আবদ্ধ করতে এখানে রয়েছে অসংখ্য দর্শনীয়

রহস্যময় আলুটিলা গুহা, খাগড়াছড়ি

রহস্যময় আলুটিলা গুহা, খাগড়াছড়ি

মনের পিপাসা মেটাতে ভ্রমণ পিপাসীরা ছুটছেন দূর থেকে আরো দূরে। কখনো পাহাড়ে, পর্বতে, সমুদ্রের বুকে অথবা অরণ্যে-গুহায়। ‘গুহা’ শব্দটি শুনলেই আমাদের মনে এক রোমাঞ্চকর অনুভূতির সৃষ্টি হয়। মনে পড়ে যায় আদিম সভ্যতার ইতিহাস। আপনি যদি এডভেঞ্চার প্রিয় হয়ে থাকেন, আর