;

বিমানবালা কে যেসব বিষয় কখনোই জিজ্ঞেস করবেন না

ব্যবসায়িক , ব্যক্তিগত বা ভ্রমণে যাই হোক না কেনো আমাদের অনেকেরই বিমানে যাতায়াত করতে হয়। যাত্রীদের সুবিধার জন্য বিমানে বিমানবালা থাকেন। যাত্রা পথে অনেকেই বিমানবালাদের এমন অনেক কথা কিংবা কাজ করে দিতে বলেন যা আদৌতে বিমানবালার কাজ নয়। এইসব বিষয় একান্ত ব্যক্তিগত শিষ্টাচারে পড়লেও আমাদের অনেকেরই তা অজানা কোন কোন বিষয় নিয়ে বিমানবালার সাহায্য নেয়া উচিৎ আর কোন বিষয়গুলোতে নেয়া উচিৎ না। আজ জেনে নিন এমন কিছু বিষয় সম্পর্কে যা একজন বিমানবালাকে জিজ্ঞেস করাকে অশোভন হিসেবেই দেখা হয়।

১. হয়তো আপনার মাথা ব্যথা বা হালকা জ্বর জ্বর অনুভব হচ্ছে এবং তার জন্য নাপা কিংবা এস্পিরিন আছে কিনা তা একজন ফ্লাইট এটেন্ডেন্টকে জিজ্ঞেস করা অনুচিত। বিমানে যেহেতু দীর্ঘ জার্নি প্রয়োজনীয় কিছু ওষুধ আগে থেকেই সাথে রাখা উচিৎ।

২. টিকেটে স্পষ্ট ভাবেই সিট নাম্বার প্রিন্ট করা থাকে এবং আসন গুলোর সাথেও উল্লেখ করা থাকে। তাই নিজের সিট নিজেই খুঁজে নিন।

৩. একজন বিমানবালাকে কখনোই আপনার ব্যাগ বা লাগেজ কম্পার্টমেন্টে রাখার অণুরোধ করা উচিৎ নয়। এটা মোটেও তার দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না।

৪. মাঝেমধ্যে বিমানে প্রবেশের বা বোর্ডিং এর সময় আপনার ব্যাগ চেক করার প্রয়োজন পড়ে। এটা বিরক্তির কারণ হলেও এ নিয়ে বিমানবালার সাথে রাগারাগি করবেন না। কেননা এটা মোটেও তার দোষ নয়। কম্পার্টমেন্টে সবার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা থাকে না। তাছাড়া অনেকেই পায়ের নিচে না রেখে সবকিছু কম্পার্টমেন্টেই রাখতে চান।

৫. বিমানে চড়ার সময় একজন বিমানবালাকে আপনার আসন পরিবর্তন করে  দিতে বলবেন না। হতে পারে পাশের ব্যক্তিটি আপনার যাত্রা পথে বিরক্তির কারণ হতে পারে তবুও এমনটি করতে তাকে বলবেন না।

৬. প্রথম শ্রেণির আসন খালি পড়ে থাকলেও আপনাকে সেই আসনটি দেয়ার জন্য একজন বিমানবালাকে অনুরোধ করতে পারেন না। আপনি আসনটি তখনি পাবেন যখন আপনি তার জন্য পর্যাপ্ত অর্থ পরিশোধ করবেন।

৭. অনেক সময় যাত্রীরা ফার্স্ট ক্লাসের যাত্রী না হয়েও ফার্স্ট ক্লাস বাথরুম ইউজ করতে চান। ফার্স্ট ক্লাস বাথরুম ইউজ করার অনুরোধ করে কখনোই ফ্লাইট এটেন্ডেন্টকে বিরক্ত করবেন না। আপনি ফার্স্টক্লাস যাত্রী হলেই তবে ফার্স্ট ক্লাস বাথরুম ব্যবহার করতে পারবেন।

কন্ট্রিবিউটর – মোঃ সাখাওয়াত হোসেন

Facebook Comments
বিমানবালা কে যেসব বিষয় কখনোই জিজ্ঞেস করবেন না