;

মহিষের ঐতিহ্যবাহী টক দই, ভোলা

দ্বীপ জেলা ভোলা। মেঘনা ও তেতুলিয়া নদীর মাঝখানে সৌন্দর্যের রানী হিসেবে খ্যাত এই জেলাটি নিজস্ব ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক স্বকীয়তায় সমুজ্জ্বল। এটি এশিয়ার সর্ব বৃহৎ দ্বীপ জেলা হিসেবেও পরিচিত। দেশ বিদেশে ভোলার অন্য আরেকটি জিনিশের সুনাম রয়েছে। আর তা হচ্ছে ভোলার ব্র্যান্ড হিসেবে পরিচিত মহিষের দুধের কাঁচা দই। আমাদের দেশে গ্রাম অঞ্চলে সাধারণত যেকোনো আয়োজনে অতিথিকে দই পরিবেশন করা একটি ঐতিহ্যগত আচার। আর ঐতিহ্য ও স্বাদে ভোলার দই এক্ষেত্রে অর্জন করে নিয়েছে সুখ্যাতি। দেশের সীমানা ফেরিয়ে বিদেশের মাটিতেও সুনাম ছড়িয়ে পড়েছে এর। বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে বলে জানা যায় ঐতিহ্যবাহী এই দই।

প্রায় দুইশত বছরের ঐতিহ্যবাহী ভোলার মহিষের দুধের দই এর সুখ্যাতি নতুন কিছু নয়। এখানকার মানুষের নিত্য আপ্যায়নের অন্যতম উপাদান এই দই। যেকোনো উৎসবে খাবার শেষে দই পরিবেশন করা হয় এখানে। অতিথি আপ্যায়নের অন্যতম অনুষঙ্গ এটি। স্বাদে টক এই দই গুনে মানেও অনন্য। এটি সাধারণত মহিষের কাঁচা দুধ দিয়ে তৈরি হয়।

মহিষের ঐতিহ্যবাহী টক দই, ভোলা

ভোলা, মেঘনা ও তেতুলিয়ার মধ্যবর্তী অঞ্চলে প্রচুর মহিষ পালন করা হয়। ভোলার অর্থকরী সম্পদের অন্যতম মহিষ। ৬০ কেজি মহিষের দুধ থেকে আসে ৩০ কেজি দই। এই দই গুড়, মিষ্টি অথবা চিনি দিয়ে খাওয়া যায়। এছাড়া খেতে পারেন মুড়ি, চিড়া ও খৈ দিয়েও।

মাটির তৈরি একধরণের পাত্রে এই দই বসানো হয় এবং বিক্রিও করা হয়। তবে কোথাও কোথাও খুচরোও বিক্রি হয়। ভোলা ভ্রমণে মহিষের কাঁচা দুধের তৈরি দইয়ের স্বাদ নিতে ভুলবেন না যেনো।

ছবি – ইন্টারনেট

তথ্য সংগ্রহ ও উপস্থাপন – মোঃ সাখাওয়াত হোসেন

Facebook Comments
মহিষের ঐতিহ্যবাহী টক দই, ভোলা